1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ahmedjuees@gmail.com : Jeshore Protidin :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
যশোর কান্টনমেন্ট কলেজে করোনা ইউনিট জাতির উদ্দেশ্যে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গায় করোনা সন্দেহে ৪৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দামুড়হুদায় পানির আর্সেনিক ও আয়রণ মুক্তকরণ স্থাপনার উদ্বোধন করলেন এমপি টগর। শার্শায় বিভিন্ন আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালিত দর্শনায় শ্রদ্ধার সাথে জাতির জনকের জন্ম শতবার্ষিকী পালন। পাটকেলঘাটয় মাসে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হয় ইউনিয়ন শ্রমিকদের। করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করছে সরকার। যশোর শামস্ উল হুদা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২০ এর শুভ উদ্বোধন। দর্শনা থানায় প্রইভেটকার সহ ৫৬৪ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ, আটক ১।
শিরোনাম
যশোরের কর্মহীনদের মাঝে প্রত্যয় সমাজকল্যাণ সংঘ পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। স্পেনে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো দেশে করোনার উপসর্গ নিয়ে একদিনে ১৯ জনের মৃত্যু আমেরিকায় একদিনে রেকর্ড ১০৪১ জনের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি টগরের উদ্দোগে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। ফুলতলা দামোদর ইউপি তে অ্যাড.সুজিত অধিকারী দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতারণ কেশবপুরের করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জন্য উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার ০৬টি, নেবুলাইজার ০৬টি , মাস্ক ০৬ টি প্রদান। করোনায় দেশে মৃত্যু বেড়ে ৬, আক্রান্ত ৫৪ যশোর কান্টনমেন্ট কলেজে করোনা ইউনিট বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১২ বার পড়া হয়েছে
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর, ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনেই যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল। এদিন বিকেলে যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্য খচিত গাঢ় সবুজ পতাকা।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স-মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) বৃহত্তর যশোর জেলার (যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইল) উপ-অধিনায়ক রবিউল আলম জানান, ৭১ সালের ০৩, ০৪ ও ০৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচ- যুদ্ধ হয়। এ সময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাক আর্মিদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে পর্যদস্তু পাক বাহিনী ০৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে। যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে। পলায়নকালে ০৫ ও ০৬ ডিসেম্বর শহরতলীর রাজারহাটসহ বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রচণ্ড লড়াই হয়।
০৬ ডিসেম্বর বিকেলের আগে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় পাক হানাদাররা। বিকেলে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তি বাহিনী সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল। মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ।
এর আগে ৭১ সালের ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেটের সামনে শহরের রাজপথে বের হয় জঙ্গি মিছিল। যশোরবাসী শপথ নেয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। এই মিছিলে হানাদার বাহিনী গুলি চালালে শহীদ হন চারুবালা কর। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনিই যশোরের প্রথম শহীদ। এরপর থেকেই যশোরে সংগঠিত হতে থাকে প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেয় সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হতে থাকে ছাত্র, যুবক ও মহিলাদের। ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী তদানীন্তন জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা মশিয়ূর রহমানকে তার বাসভবন থেকে ধরে যশোর সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
২৯শে মার্চ পাক হানাদার বাহিনী যশোর শহর ছেড়ে সেনানিবাসে চলে যায়। ৩১শে মার্চ নড়াইল থেকে হাজার হাজার লোকের এক বিশাল মিছিল শহরে আসে। শহরবাসীর সাহায্যে সশস্ত্র মিছিলটি হামলা চালায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে। মুক্তি পায় সব রাজবন্দী। এর আগে ৩০শে মার্চ যশোর সেনানিবাসের বাঙালি সৈনিকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন ক্যাপ্টেন হাফিজের নেতৃত্বে।

পাকবাহিনীর সাথে প্রচন্ড যুদ্ধে লেফটেন্যান্ট আনোয়ারসহ অনেকেই এখানে শহীদ হন। জুলাই মাস থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিধারা পাল্টে যায়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা যশোর শহর ও অন্যান্য এলাকায় পাকবাহিনীর অবস্থানগুলোতে প্রচ- আক্রমন চালাতে থাকে।
যশোর মুক্তিযুদ্ধের ৮নং রণাঙ্গন। কমান্ডার ছিলেন তদানীন্তন মেজর মঞ্জুর। অন্যদিকে, পাক বাহিনীর মোতায়েন ছিল ১০৭নং ব্রিগেড। এর কমান্ডার ছিলেন বিগ্রেডিয়ার হায়াত খান। যশোর সেনানিবাস থেকে শত্রু বাহিনী ৬টি জেলা নিয়ন্ত্রণ করত। ২০শে নবেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে অভিযান শুরু করে। পাক বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলের শক্তিশালী ঘাঁটি চৌগাছা ঘিরে ফেলে সম্মিলিত বাহিনী। মিত্র বাহিনীর গোলার আওতায় আসে যশোর সেনানিবাস।
২২শে নবেম্বর রাতে পতন হয় চৌগাছার। হানাদার বাহিনী সলুয়া বাজারে তৈরি করে অগ্রবর্তী ঘাঁটি। এসময় যশোর সেনানিবাসের তিন দিকেই মিত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী শক্ত ঘাঁটি গেড়ে বসে। এ অঞ্চলের পাক বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার হায়াত খান প্রাণ ভয়ে তার অফিস স্থানান্তর করেন খুলনায়। প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ অভিযান চলে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর। যুদ্ধে টিকতে না পেরে ৬ ডিসেম্বর বিকেলে পাক বাহিনী পালিয়ে যায় খুলনার দিকে। মুক্ত হয় যশোর জেলা। যুদ্ধবিধ্বস্ত মুক্ত শহরে ওড়ে স্বাধীন দেশের পতাকা।
এদিকে, ৬ ডিসেম্বর যশোর মুক্ত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com